Translate

যে ১২টি কাজ করারপর নিজেকেদোষ দেবেন নাকখনোই!

Monday, July 20, 2015

0 মন্তব্য(গুলি)

জীবনে অনেক কিছুর জন্যই
আমাদের অনুশোচনার শেষ থাকে
না। একটা কাজ করে ফেলার পর
তীব্র অনুশোচনায় ভুগে বা দশ
জনের কথা শুনে দোষারোপ
করতে থাকি নিজেদেরকেই। কিন্তু
আসলেই কি এই কাজটি ঠিক? অন্যের
কথা ভাবতে গিয়ে আপনি নিজের
সাথেই অবিচার করে ফেলছেন না
তো? তাহলে এখনই সময় ঘুরে
দাঁড়াবার। জেনে নিন কোন ১২টি কাজ
করে ফেলার পর মোটেও
নিজেকে দোষ দিতে নেই। বরং
এই কাজগুলো যত আগে করবেন,
ততই সুখী হবেন জীবনে।
১) আপনি আবেগী মানুষ বলে
কখনো লজ্জিত হবেন না। আবেগ
থাকা মোটেও দোষের কিছু নয়।
মানুষ হলে আবেগ থাকবেই,
আবেগহীন মানুষ রোবট ছাড়া আর
কিছু নয়। তাঁরা বেঁচে থাকার কোন
আনন্দই পান না।
২) আবেগ যেহেতু আছে,
আবেগের প্রকাশও থাকবে। বকার
সামনে কেঁদে ফেললেন বা রাগ
দেখিয়ে ফেললেন বলেই কাজটা
খুব খারাপ হলো, বিষয়টা মোটেও তা
নয়। আবেগের প্রকাশ আমাদের
মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
৩) কেউ আপনাকে অবহেলা
করলো বা কষ্ট দিল বলে তাঁর
কাজের জন্য নিজেকে দোষ
দেবেন না বা নিজেকে অযোগ্য
মনে করবেন না। কেউ দাম দিল না
বলেই আপনি অযোগ্য হয়ে যান না।
৪) জীবনে ছোট ছোট কেবল
নয়, বড় ব্যর্থতাও থাকবে। বারবারও
আস্তে পারে এই ব্যর্থতা। ব্যর্থ
হলেই বলেই আপনি হেরে
গেলেন বা আপনি দোষী, বিষয়টি
মোটেও তা নয়।
৫) নিজের সিদ্ধান্তের জন্য
নিজেকে দোষারোপ করে লাভ
নেই। যেটা হয়ে গেছে বা আপনি
করে ফেলেছেন, সেটাকে বদল
করতে পারবেন না। তাই অকারণে
অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা
করে কষ্ট পাবেন না। কারো সাথে
কারো জীবন মেলে না। অন্য
কেউ একই কাজে সফল হয়েছে
বলে আপনিও হবেন, এমন কোন
কথা নেই।
৬) মানুষ হয়ে জন্মেছেন যখন,
হরেক রকম প্রয়োজন থাকবেই।
সেটা শারীরিক, মানসিক, সামাজিক
সবরকম হতে পারে। সেগুলো
বলতে বা সেগুলো নিয়ে লজ্জিত
হবার কিছু নেই।
৭) মাঝে মাঝে ছোট্ট কিছুই
আমাদের অনেক আনন্দ দেয়।
যেমন একটু বেশী খেয়ে ফেলা
বা একটু রাত জেগে টি ভি দেখা,
কখনো কাজে ফাঁকি দেয়া। এগুলো
নিয়েও মনে কষ্ট পাবার কোন কারণ
নাই।
৮) মাঝে মাঝে আমরা রেগে যাই,
হয়তো চিৎকার চেঁচামেচি করি,
নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ হারাই বা
কারো সাথে বাজে ব্যবহার করি। এই
কাজটা করে পরে খুবই খারাপ লাগে
আমাদের সবারই। কিন্তু তাই বলে খুব
বেশী কষ্ট পাবেন না। আমরা মানুষ,
মাঝে মাঝে এমন হতেই পারে।
৯) সবার আগে নিজের স্বার্থ চিন্তা
করে মোটেও অপরাধের না।
১০) হ্যাঁ, আমরা মাঝে মাঝে ভুল
মানুষকে বিশ্বাস করি। করে প্রতারিত
হই, কষ্ট পাই। তবে এটা আপনার দোষ
না। যে বিশ্বাস ভেঙে ধোঁকা
দিল,তার দোষ।
১১) সম্পর্ক গড়বে, আবার সম্পর্ক
ভাঙবে। ভাঙা সম্পর্কের জন্য
মনকষ্টে ভুগবেন না।
১২) অতীতে যা হয়েছে তা বদল
করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই খব
বেশী না ভেবে অতীতকে
অতিতেই থাকতে দিন।

স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়তবু

Saturday, July 11, 2015

0 মন্তব্য(গুলি)
স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়
তবু স্বপ্নে আকরে তাকি।
আধারের অতলে
নিজের প্রাসাদ গরি।।
আমি দুচোখে স্বপ্নে
তুমায় দেখি।।
এই স্বপ্নে মাঝে আমি
তুমার অনুভূতি খুজি।।
রাত নির্ঘুম
চার দিকে অলস নিরবতা,
চাঁদের আলোয়
মিসে যায় ভালোবাসার কথা।
হয় তো বা
ভালোবাসা এক টুকরো মেঘে
উরিয়ে দেয়া তোমার
নীল সেই আবেগ।।
স্বপ্নরা এখানে কেন
মিত্যে নয়??
স্বপ্নের বিপরীতে
আমার চোখ অন্ধময়!!!
আমার জগতে তোমায়
স্বপ্ন দেখব আমি।
চাঁদনি রাতে
মৃদু বাতাসের মাঝে
তোমার কোলাহল আমার
কানে বাজে.....

যে ছবি ঘুমিয়ে আছেনিঃস্তব্ধ

0 মন্তব্য(গুলি)
যে ছবি ঘুমিয়ে আছে
নিঃস্তব্ধ এই অন্তরে
দিয়েছি তারে স্বাধীনতা
মিশে যাক সে রাতের আধারে
কিংবা অজানায়,........

মা বলেছে

Thursday, June 25, 2015

0 মন্তব্য(গুলি)

মা বলেছে পুকুর ঘাটে
যাসনে খোকন সোনা,
সাঁতারটা তুই শিখলে পরে
করবোনা যে মানা।
কৃষাণ ছেলে নদীর ঘাটে
নিয়ে গরুর দল,
ডুব সাঁতারে করছে ঘোলা
অথৈ নদীর জল।
দুপুর বেলায় বিষাদ সুরে
রাখাল বাজায় বাঁশি
কিশোরীদের দস্যিপনায়
পায় যে বড় হাসি।
বাড়ির পাশে তাল গাছেতে
বাবুই পাখির বাসা,
নিপুণ হাতে গড়েছে সে
দেখতে বড় খাসা।
বাতাস এলে হেলেদুলে
করে কতো খেলা,
ওপারে তার নীল আকাশে
ভাসে মেঘের ভেলা।
সকাল বেলা কিচির-মিচির
লাগে মধুর শ্রুতি,
চেয়ে দেখি সূর্য মামা
ছড়ায়নি তার দ্যুতি।
হলদে,শ্যামা আর যে কোকিল
গাইছে কতো গান,
পিঠা-পুলির আয়োজনে
ভানছে নতুন ধান।
রূপকথারই গল্প শুনে
জুড়িয়ে যায় প্রাণ,
গল্প শেষে জিরিয়ে দাদু
খাচ্ছে খিলি পান।

কবি নজরুল একদিন

0 মন্তব্য(গুলি)
কবি নজরুল একদিন
কথার প্রসঙ্গে
বলেছিল খোদার বক্ষে
লাতি মারি।
এই কথা বলার পর সারা
কুমিল্লা উত্তাল হয়ে গেল।
মাওলানারা
কাফের ঘোষনা
দিল, আরো বলল যে
মানুষ খোদার বুকে
লাতি মারতে পারে সেই
বেয়াদবের
জায়গা এই
দেশে হবেনা।
কবিকে বলল এর
জবাব দিতে হবে।
কবি বললেন,ঠিক আছে আমি
জবাব
দিব।আপনারা একটি
সমাবেশের
আয়োজন করেন।
হাজার হাজার মানুষ
উপস্হিত হল। কবি
আসলেন,সবাই
কবিকে বেইজ্জত
করার প্রস্তুতি
সম্পন্ন করল।
কবি মঞ্চে উঠে শুধু
দুইটি কথা বললেন।
তিনি বললেন,
খোদা নিরাকার।
যে খোদার বুক আছে
সেই খোদার
বুকে লাতি মারতে
বলেছি।
কবি দেব দেবীকে
কথাটি বুঝাতে
চেয়েছেন।
দুধ বিক্রি করে চা
খাওয়া জনগণ বেটকায়
বেটকায়
নুরাণী জর্দা
দিয়ে পান খাওয়া
মাওলানারা
বুঝ পেয়ে গেল।
না বুঝে চিল্লায়, এককাপ
চা
তে
বিক্রি হয় একমাত্র
আমাদের
বাঙ্গালীরা।
এক এলাকায় এক লোকের খুব
জর উঠেছে।ডাক্তার
সেলাইন দিল
একটু সুস্থ হওয়ার পর
রিক্সা করে
কাপতে কাপতে বাড়ী
আসার পথে
দেখতেছে অনেক লোক
একজন
চোরকে মারতেছে। এই
রোগী
অনেক কষ্ট করে রিক্সা
থেকে
নেমে অনেক জ্যামের
মধ্যে ডুকে ঐ
চোরকে একটি ঘুসি
দিল।
রিক্সাওয়ালা বলল,আপনি
ওনাকে
কেন মারলেন?
রোগী বলল আমি
কিছুই জানিনা।
সবাই মারছে তাই
আমিও মেরেছি।
প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে এত
কষ্ট করে এই
একটি ঘুসি মারার কি
দরকার ছিল?
পরে দেখা গেল সে আসলে
চোর
নয়।h